Categories
জীবনশৈলী

সহজে ঘরোয়া ফেসপ্যাক তৈরি করুন

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসপ্যাকের বিকল্প নেই। প্রাকৃতিক উপাদানের তৈরি এসব ফেসপ্যাকে নেই কোনও ক্ষতিকারক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। পাশাপাশি ত্বক সুস্থ রাখতে ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার এবং প্রচুর পানি পানও জরুরি।

১ টেবিল চামচ বেসনের সঙ্গে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়া ও প্রয়োজন মতো গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখ, গলা ও ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। ধুয়ে ফেলুন কুসুম গরম পানি দিয়ে।

১ টেবিল চামচ করে চালের আটা, চন্দন গুঁড়া ও বেসন নিন। আধা চামচ গুঁড়া দুধ ও প্রয়োজনীয় পরিমাণ গোলাপজল মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট বানিয়ে নিন। মিশ্রণটি ৫ মিনিট ত্বকে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন।
সমপরিমাণ লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। কিছুক্ষণ ত্বকে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।

১ টেবিল চামচ বেসন, আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ তরল দুধ ও আধা চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। মিশ্রণটি পরিষ্কার ত্বকে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরার জেল, ১ চা চামচ লেবুর রস ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট।

২ চা চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ১ চা চামচ টমেটোর রস ও আধা চা চামচ চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। ত্বকে লাগিয়ে রাখুন না শুকানো পর্যন্ত।

আরও পড়ুন
নানা গুণে ভরপুর জাম্বুরা

জাম্বুরা একটি ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল। এর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে হজমের উন্নতি, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং পেশির শিরটান কমাতে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন, খনিজ উপাদান, পটাশিয়াম, আঁশ, ভিটামিন বি৬ এবং ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে।

গুণাগুণ: প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য জাম্বুরায় রয়েছে খাদ্যশক্তি ৩৮ কিলোক্যালোরি, প্রোটিন ০.৫ গ্রাম, স্নেহ ০.৩ গ্রাম, শর্করা ৮.৫ গ্রাম, খাদ্যআঁশ ১ গ্রাম, থায়ামিন ০.০৩৪ মিলি গ্রাম, খনিজ লবণ ০.২০ গ্রাম, রিবোফ্লেভিন ০.০২৭ মিলি গ্রাম, নিয়াসিন ০.২২ মিলি গ্রাম, ভিটামিন বি২ ০.০৪ মিলি গ্রাম, ভিটামিন বি৬ ০.০৩৬ মিলি গ্রাম, ভিটামিন সি ১০৫ মিলি গ্রাম, ক্যারোটিন ১২০ মাইক্রো গ্রাম, আয়রন ০.২ মিলি গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩৭ মিলি গ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৬ মিলিগ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ ০.০১৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ২১৬ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১ মিলিগ্রাম।

জাম্বুরার স্বাস্থ্য উপকারিতা নিচে তুলে ধরা হলো-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: একটি জাম্বুরায় দৈনিক চাহিদার ৬০০ শতাংশ ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এটি এসকরবিক অ্যাসিডের ভালো উৎস যা দ্রুত রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে যা শ্বেত রক্ত কণিকার কার্যক্রম বাড়ায় এবং ফ্রি রেডিকেলের বিরুদ্ধে কাজ করে।

জাম্বুরা ঠান্ডা, সর্দি-জ্বর জনিত সমস্যার জন্য খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

হজমে সহায়ক: এতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ রয়েছে। একটি মাঝারি আকারের জাম্বুরাতে দৈনিক চাহিদার ২৫ শতাংশ আঁশের চাহিদা পূরণ করে। পর্যাপ্ত আঁশ স্বাস্থ্যসম্মত হজমে সহায়ক এবং কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়ার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে: জাম্বুরা পটাশিয়ামের ভালো উৎস। দৈনিক চাহিদার ৩৭ শতাংশ এর মাধ্যমে পূরণ করা যায়। পটাশিয়াম এক ধরনের ভ্যাসোডিলেটর এটি রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখে এবং দুশ্চিন্তা দূর করে। রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে এবং দেহে অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।

ওজন কমায়: জাম্বুরায় ‘চর্বি পোড়ানোর এনজাইম’ উপাদান রয়েছে। যা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে।

পেশি মোচড়ানোর প্রতিরোধে: পটাশিয়াম শরীরে ফ্লুইডের ভারসাম্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *