Categories
বাংলাদেশ

চাকরি প্রার্থীদের বয়সে ছাড় দিতে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব

চাকরি প্রার্থীদের বয়সে ছাড় দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব বিধিনিষেধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি চাকরি প্রার্থীদের বয়সের ক্ষেত্রে ২১ মাস ছাড় দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ‘করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমরা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রণোদনা দিয়েছি। সেক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আবার নতুন করে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে। গত বছরও আমরা এটা করেছিলাম।’

গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে যাদের চাকরির বয়স শেষ হয়েছে, তারা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য বয়স শিথিল করেছিলাম। আবার নতুন করে আরেকটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অনুমোদন হয়ে এলে সেই বিষয়ে আমরা বলতে পারব। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে চাকরি প্রার্থীরা একটা ছাড় পাবে, যোগ করেন তিনি।

গত বছরের (২০২০) ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর হয়েছে, তারা এই ছাড়ের আওতায় আসবে বলেও জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘তারা ২১ মাস পর্যন্ত বয়সের ছাড় পাবে। এটা একটা বড় সহযোগিতা। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে আমরা এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করব।’

প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা এটি সরকারি সব প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠিয়ে দেব। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা যেসব বিজ্ঞাপন দেবে, সেই বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করবে, যাদের বয়স ২৫ মার্চ ৩০ বছর হয়েছে তারা আবেদন করতে পারবে।’

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর। বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর। করোনা মাহামারির প্রথম দফায় সাধারণ ছুটির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত চাকরি প্রার্থীদের বয়সের ক্ষেত্রে ৫ মাস ছাড় দেয় সরকার।

আরও পড়ুন

তিন ধাপে খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সেপ্টেম্বর মাস থেকে ধাপে ধাপে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। নভেম্বর-ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা ছাড়া এ পরিকল্পনা থেকে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বাদ রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের এ পরিকল্পনার বাইরে রাখার পেছনে যুক্তি হলো-চলতি শিক্ষাবর্ষ প্রায় শেষ। সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও অর্ধবার্ষিক, বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার বিষয়ে আগাম ও আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ কিছু বলতে চাইছেন না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, যতদূর সম্ভব শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের করোনার টিকার আওতায় আনার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মূলত এই টিকাপ্রদানের ওপর ভিত্তি করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা করছে সরকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সব পরিকল্পনা নির্ভর করছে আগামী এক মাসে কত সংখ্যক শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনা যায় তার ওপর।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর স্থগিত থাকা পরীক্ষাগুলো আগে নেওয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে দুদিন পরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচ্ছন্ন করতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সর্বস্তরের শিক্ষকদের টিকাদান কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে টাইমলাইন দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার কাজও চলছে জোরেশোরে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি গণমাধ্যমকে জানান, সরকারি পর্যায়ের প্রায় শতভাগ শিক্ষকই টিকা নিয়েছেন। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তিন লাখ ৬৩ হাজার ২২২ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে টিকা নিয়েছেন দুই লাখ ৭৮ হাজার ৪২৬ জন। বাকি আছেন প্রায় ৮৪ হাজার জন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪ হাজারের বেশি শিক্ষক টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন, তাদের মধ্যে টিকা নিয়েছেন ৩০ হাজারের বেশি। আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই সব শিক্ষকই টিকা নিয়ে নেবেন আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের

Categories
বাংলাদেশ

স্কুল খুললেই প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

স্কুল খুললেই প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। করোনা পরিস্থিতি নতুন করে বৃদ্ধি না পেলে ধাপে ধাপে স্কুল-কলেজ খোলা হতে পারে।এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করতে চায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন পরীক্ষার প্রবেশপত্র তৈরির কাজ শুরু করা হবে জানা গেছে।

সোমবার (৯ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় যোগ্যদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে পরীক্ষার প্রবেশপত্র তৈরি করে পরীক্ষা নেয়া ও তার ফলাফল প্রকাশ কাজ বাকি রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ করেও লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেই আমরা এ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করতে চাই।

আগামী মাসের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এজন্য বিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাজ নতুনভাবে শুরু করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে সেই মাসে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে এই নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থাতেও নিয়োগ সংক্রান্ত টেকনিক্যাল কাজ এগিয়ে রাখা হয়েছে। পরীক্ষার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সঙ্গে চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সারাদেশে ৩২ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার। যার মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়োগ পাবেন ২৫ হাজার ৬৩০ জন। বাকিগুলো শুন্যপদে নিয়োগ দেয়া হবে। এই নিয়োগে ১৩ লাখ ৫ হাজারের বেশি আবেদন জামা হয়েছে।

আরও পড়ুন

চাকরি প্রার্থীদের বয়সে ছাড় দিতে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব

চাকরি প্রার্থীদের বয়সে ছাড় দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব বিধিনিষেধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি চাকরি প্রার্থীদের বয়সের ক্ষেত্রে ২১ মাস ছাড় দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ‘করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমরা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রণোদনা দিয়েছি। সেক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আবার নতুন করে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে। গত বছরও আমরা এটা করেছিলাম।’

গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে যাদের চাকরির বয়স শেষ হয়েছে, তারা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য বয়স শিথিল করেছিলাম। আবার নতুন করে আরেকটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অনুমোদন হয়ে এলে সেই বিষয়ে আমরা বলতে পারব। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে চাকরি প্রার্থীরা একটা ছাড় পাবে, যোগ করেন তিনি।

গত বছরের (২০২০) ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর হয়েছে, তারা এই ছাড়ের আওতায় আসবে বলেও জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘তারা ২১ মাস পর্যন্ত বয়সের ছাড় পাবে। এটা একটা বড় সহযোগিতা। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে আমরা এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করব।’

প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা এটি সরকারি সব প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠিয়ে দেব। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা যেসব বিজ্ঞাপন দেবে, সেই বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করবে, যাদের বয়স ২৫

Categories
বাংলাদেশ

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়তে পারে

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় আকারে বয়স ছাড়ের চিন্তা করছে সরকার। গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে চলতি বছরের পুরোটাই, অর্থাৎ ২১ মাস এই ছাড়ের আওতায় রাখার কথা ভাবা হচ্ছে।

তবে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে সরকারপ্রধানের সম্মতির পর।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এসংক্রান্ত প্রস্তাব তৈরির কাজ চলছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উপস্থাপন করা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিলে শিগগিরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সিদ্ধান্ত হলে গত বছরের ২৫ মার্চের পর থেকে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে যাদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ ছাড়িয়ে গেছে বা যাচ্ছে, তারা এই ছাড়ের সুবিধা পাবেন। অন্যদিকে ২৫ মার্চের আগের জন্য যে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল সেটি বহাল থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অবশ্য বয়স ছাড়ের আওতায় বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকছে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন, করোনাকালেও বিসিএসের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। তাই বিসিএসকে এই সুযোগের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার খবর দেয় সরকার। এই সংক্রমণ মোকাবিলায় ২৫ মার্চ থেকে টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি ছিল। গত বছরের শেষের কয়েক মাস এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি অনেকটা সহনীয় ছিল। গত এপ্রিল থেকে আবার সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় নানা পর্যায়ে বিধি-নিষেধ জারি করা হয়। সর্বশেষ বিধি-নিষেধের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামীকাল ১০ আগস্ট।

করোনার কারণে সাধারণ ছুটি ও বিধি-নিষেধ চলাকালে বিসিএস ছাড়া অন্য সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি নিয়মিত প্রকাশিত হয়নি। একদিকে করোনার কারণে তরুণরা সরকারি চাকরি বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে সরকারি চাকরিতে বয়স বাড়ানোর একটি আন্দোলন করোনাকালের আগে থেকেই চলছিল। তাই সব মিলিয়ে করোনাকালকে বিবেচনায় নিয়ে আপাতত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সের ক্ষেত্রে ২১ মাস ছাড় দেওয়ার কথা চিন্তা করছে সরকার। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আগামী বছরও যদি করোনার কারণে এমন পরিস্থিতি চলমান থাকে সেই ক্ষেত্রে নতুনভাবে চিন্তা করবে সরকার।তবে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি সাপেক্ষে বয়স ছাড় দেওয়া হলেও এই সুবিধার আওতায় কত দিন পর্যন্ত চাকরির বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে তা স্পষ্ট জানা যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে খসড়া প্রণয়নের কাজ চলছে। এই বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়নি। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়ে আপাতত সময় বেঁধে দেওয়ার নিয়ম নাও থাকতে পারে। কারণ বর্তমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। কোনো কারণে আগামী বছর তৃতীয় ঢেউ এলে নতুন করে চাকরির বয়স ছাড়ের প্রশ্ন আসতে পারে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে শুরু করে সামনের যেকোনো একটি মাস পর্যন্ত সীমারেখা বেঁধে দেওয়ার চিন্তা চলছে। এই সীমা কত মাস হবে, সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ’

করোনায় তরুণদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়স ছাড়ের সুযোগ দিয়ে গত সেপ্টেম্বরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা আদেশে বলা হয়েছিল, ওই বছরের ২৫ মার্চ তারিখের আগে যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতির পর ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছিল, শুধু সেসব ক্ষেত্রে বয়স ছাড়ের সুযোগ মিলবে।

ওই আদেশে বলা হয়েছিল, ‘যে সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর আওতাধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, সংস্থা ও অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত, জাতীয়কৃত প্রতিষ্ঠানসমূহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির সরকারি চাকরিতে (বিসিএস ব্যতীত) সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষ হতে ২৫-০৩-২০২০ তারিখের পূর্বে নিয়োগের ছাড়পত্র গ্রহণসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সত্ত্বেও কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি, সে সকল দপ্তরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ২৫-০৩-২০২০ তারিখে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হলো। ’

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের আদলেই এই বছরও বয়স ছাড় দিয়ে আদেশ জারির প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু গত দেড় বছরে দফায় দফায় সাধারণ ছুটি, বিধি-নিষেধ বা লকডাউনের আওতায় ছিল দেশ। দীর্ঘ সময়ের এই বেড়াজালের কারণে আগেরবারের মতো বয়স ছাড়ের নির্দেশনা দেওয়া খুবই জটিল বিষয় হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই করোনাকালীন পরিস্থিতি শুরুর দিন অর্থাৎ গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে চলতি বছরের পুরোটাই অর্থাৎ ২১ মাস পূর্ণাঙ্গ ছাড় দেওয়ার চিন্তা করছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন

স্কুল খুললেই প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। করোনা পরিস্থিতি নতুন করে বৃদ্ধি না পেলে ধাপে ধাপে স্কুল-কলেজ খোলা হতে পারে।এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করতে চায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন পরীক্ষার প্রবেশপত্র তৈরির কাজ শুরু করা হবে জানা গেছে।

সোমবার (৯ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় যোগ্যদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে পরীক্ষার প্রবেশপত্র তৈরি করে পরীক্ষা নেয়া ও তার ফলাফল প্রকাশ কাজ বাকি রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ করেও লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেই আমরা এ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করতে চাই।

আগামী মাসের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এজন্য বিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাজ নতুনভাবে শুরু করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে সেই মাসে

Categories
ক্যারিয়ার

একবার বিসিএস দিয়েই ক্যাডার হন কাবেরী

কাবেরী জালাল সেতুর জন্ম পাবনা সদরের দক্ষিণ রাঘবপুর গ্রামে। বাবা মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ ছিলেন আইনজীবী। মা বেগম গুলনাহার ছিলেন ইছামতি গার্লস হাই-স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। কাবেরী ২০০৪ সালে ইছামতি হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ২০০৬ সালে পাবনা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেন।

কাবেরী জালাল ২০১৬ সালে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। সম্প্রতি তার বিসিএস জয়, ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও সফলতার গল্প শুনিয়েছেন জাগো নিউজকে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফিচার লেখক

জাগো নিউজ: আপনার ছোটবেলা কেমন কেটেছে?কাবেরী জালাল: ছোটবেলা থেকে চাকরিতে প্রবেশের আগমুহূর্ত পর্যন্ত আমার সময় কেটেছে পাবনায়। শৈশব-কৈশোরের সব স্মৃতি সেখানে। ছোটবেলার স্মৃতি তেমন মনে নেই। তবে ভাই-বোনরা মিলে অনেক আড্ডা, গল্প ও খেলাধুলা করতাম।

জাগো নিউজ: পড়াশোনায় কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল?কাবেরী জালাল: না। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে ছিলাম। পড়াশোনার ব্যাপারে কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল না। বাবা-মা পড়াশোনার ব্যাপারে খুব যত্নশীল ছিলেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বাবা-মা আমাকে পড়াশোনার ব্যাপারে খুবই উৎসাহ দিতেন। তারা সব সময় বলেছেন, যতদূর তোমার ইচ্ছা; ততদূর তুমি পড়ালেখা করো। এমনকি এখনো আমার বাবা বলেন, পিএইচডি তো করলে না। পড়াশোনার ব্যাপারে কোনোরকম প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়নি।

জাগো নিউজ: বিসিএসের স্বপ্ন দেখেছিলেন কখন থেকে?কাবেরী জালাল: উচ্চমাধ্যমিক পড়ার পর পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে ভর্তি হওয়ার পর স্যারদের দেখতাম। তারা সবাই বিসিএস ক্যাডার। তাদের দেখে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার ইচ্ছা জাগতো। বিশেষ করে শ্রদ্ধেয় শিহাব উদ্দিন ও কলিমুদ্দিন স্যারের কাছে গল্প শুনতাম, তারা কিভাবে পড়তেন। তাদের বিসিএসের ভাইভার কথা শুনতাম। তখন আমাদের কাছে বিসিএসের ভাইভা স্বপ্নের মতো মনে হতো। তারপর একদিন আম্মুর স্কুলে ইউএনও ভিজিটে এসেছিলেন। আম্মু তখন বলেছিলেন, দেখো একজন মহিলা ইউএনও এসেছেন, তার কী সম্মান। তখন থেকেই আম্মু ভাবতেন, আমার মেয়েও একদিন ইউএনও হবে। তখন থেকেই মূলত বিসিএসের স্বপ্ন দেখা।

বিসিএস যাত্রার গল্প শুনতে চাই—কাবেরী জালাল: আমি যখন স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলাম; তখই স্যারেরা বিসিএসের কথা বলতেন। শুধু আমাকেই না, সবাইকে বলতেন। তারপর আমার এক বড় ভাইয়ের পরামর্শে অনেকগুলো বই কিনলাম বিসিএস রিলেটেড। কিনে সেগুলো পড়া শুরু করলাম। প্রশ্নের ধরন দেখে সিরিয়াসভাবে পড়ালেখা শুরু করেছিলাম। বিসিএসের পড়াশোনা অনেক বিস্তৃত। দেখা যায়, বিসিএসের জন্য পড়লে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক চাকরির ভাইভা বা পরীক্ষা ফেস করা যায়। তবে বিসিএসের জন্য আলাদা কোনো কোচিং করিনি। আমার স্নাতকের সমাপনী পরীক্ষার সময় ৩৪তম বিসিএসের সার্কুলার দিয়েছিল। আমি পরীক্ষা শেষ করে বিসিএসে আবেদন করার জন্য দুদিন পেয়েছিলাম। আল্লাহর অশেষ রহমতে প্রথমটাতেই প্রশাসন ক্যাডারে সিলেক্ট হই। এরপর ৩৫তম বিসিএসে প্রিলিতে টিকি। কিন্তু ৩৪তমতে সিলেক্ট হওয়ায় আর পরীক্ষা দেইনি।

কততম বিসিএসের কোন ক্যাডারে আছেন?কাবেরী জালাল: ৩৪তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দেই। বর্তমানে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আছি।

বিসিএসের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয়? ভাইভার ধরন সম্পর্কে যদি বলতেন—কাবেরী জালাল: বিসিএসের পড়াশোনা আসলে অনেক বিস্তৃত। তাই শুরু থেকেই সিরিয়াসভাবে পড়তে হবে। প্রিলি, রিটেনের জন্য বিসিএসের সিলেবাস অনুযায়ী বাজারের মানসম্মত বই কিনে পড়তে হবে। বিজ্ঞান, বাংলা ব্যাকরণ, ইংরেজি, গণিতের জন্য ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই দেখতে হবে। ভাইভার ধরন সম্পর্কে বলতে গেলে, অনেকটা ক্যাডার চয়েজের ওপর ভাইভা বোর্ডের প্রশ্ন নির্ভর করে। তাই পছন্দের ক্যাডার চয়েজ করে সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে পড়তে হবে। এছাড়া বাকিটা পুরো ভাগ্যের ওপর। তবে ভাইভায় নিজ জেলা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অনার্সের বিষয়, সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, সাম্প্রতিক ঘটনা সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতেই হবে।

কার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন?কাবেরী জালাল: আমি বিসিএসসের অনুপ্রেরণা পেয়েছি আমার বাবা-মায়ের কাছ থেকেই। আগেই তো বললাম, আমার মা চাইতেন তার মেয়ে একজন ইউএনও হোক। মূলত সেখান থেকেই বিসিএসের স্বপ্ন দেখি এবং অনুপ্রেরণা পাই।

: মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে কোনো প্রতিবন্ধকতায় পড়েছিলেন?কাবেরী জালাল: আসলে চাকরি জীবনে নারী-পুরুষ প্রধান বিষয় নয়। কর্ম দক্ষতাই প্রধান বিষয়। চাকরি জীবনে আমাদের নারী হিসেবে বিশেষ কোনো সুবিধা দেওয়া হয় না। রাত দুইটায়ও ফোন এলে চলে যেতে হয় স্পটে। পায়ে হেঁটে, মোটরসাইকেলে চড়ে বিভিন্ন সময় কাজ করতে হয়। এছাড়াও গার্ড অব অনারেও যেতে হয়। কাজগুলো করতে গিয়ে নিজেকে নারী হিসেবে আলাদাভাবে ভাবিনি। ভেবেছি একজন ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে। অনেক সময় বলা হয়, এতো মেয়ে। এ জমি বা ভূমি সম্পর্কে কী বুঝবে? কথাগুলো কখনো কানে নেইনি। আপনমনে আমার কাজ করে গেছি। তাই বলি, কাজকে কাজ হিসেবে দেখা উচিত, নারী-পুরুষ হিসেবে নয়।

আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?কাবেরী জালাল: চাকরির ক্ষেত্রে আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো, আমি চাকরি করে যেতে চাই। রুট লেভেলে চাকরি করতে করতে ভালো লাগা কাজ করেছে চাকরির প্রতি। তাই যতদিন আছি, আমার কাজকে ভালোবেসে করে যাবো।

সাম্প্রতিক করোনা দুর্যোগে আপনার ভূমিকা কী? কাবেরী জালাল: করোনার সময় সবাইকে লকডাউন মানাতে কাজ করে গেছি। সামাজিক দূরত্ব বা যেসব বিধিনিষেধ আছে, এ সম্পর্কে জনগণকে বোঝাচ্ছি। বিধিনিষেধ পালনে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করছি। বিভিন্ন জায়গায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি। করোনার সময়ে বাল্যবিয়ে বেড়ে গেছে। তাই বাল্যবিয়ে বন্ধে ব্যাপক তৎপর আছি।

আরও পড়ুন

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়তে পারে

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় আকারে বয়স ছাড়ের চিন্তা করছে সরকার। গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে চলতি বছরের পুরোটাই, অর্থাৎ ২১ মাস এই ছাড়ের আওতায় রাখার কথা ভাবা হচ্ছে।

তবে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে সরকারপ্রধানের সম্মতির পর।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এসংক্রান্ত প্রস্তাব তৈরির কাজ চলছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উপস্থাপন করা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিলে শিগগিরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
সিদ্ধান্ত হলে গত বছরের ২৫ মার্চের পর থেকে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে যাদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ ছাড়িয়ে গেছে বা যাচ্ছে, তারা এই ছাড়ের সুবিধা পাবেন। অন্যদিকে ২৫ মার্চের আগের জন্য যে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল সেটি বহাল থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অবশ্য বয়স ছাড়ের আওতায় বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকছে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন, করোনাকালেও বিসিএসের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। তাই বিসিএসকে এই সুযোগের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার খবর দেয় সরকার। এই সংক্রমণ মোকাবিলায় ২৫ মার্চ থেকে টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি ছিল। গত বছরের শেষের কয়েক মাস এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি অনেকটা সহনীয় ছিল। গত এপ্রিল থেকে আবার সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় নানা পর্যায়ে বিধি-নিষেধ জারি করা হয়। সর্বশেষ বিধি-নিষেধের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামীকাল ১০ আগস্ট।

করোনার কারণে সাধারণ ছুটি ও বিধি-নিষেধ চলাকালে বিসিএস ছাড়া অন্য সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি নিয়মিত প্রকাশিত হয়নি। একদিকে করোনার কারণে তরুণরা সরকারি চাকরি বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে সরকারি চাকরিতে বয়স বাড়ানোর একটি আন্দোলন করোনাকালের আগে থেকেই চলছিল। তাই সব মিলিয়ে করোনাকালকে বিবেচনায় নিয়ে আপাতত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সের ক্ষেত্রে ২১ মাস ছাড় দেওয়ার কথা চিন্তা করছে সরকার। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আগামী বছরও যদি করোনার কারণে এমন পরিস্থিতি চলমান থাকে সেই ক্ষেত্রে নতুনভাবে চিন্তা করবে সরকার।তবে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি সাপেক্ষে বয়স ছাড় দেওয়া হলেও